YouVersion Logo
Search Icon

হিতোপদেশ 8

8
প্রজ্ঞা ও নির্বুদ্ধিতা
1শোন, প্রজ্ঞার আহ্বান,
শোন সুবুদ্ধির সোচ্চার ঘোষণা।
2পথের ধারে উঁচু টিলায়,
মোড়ের মাথায়,
3নগর তোরণে দাঁড়িয়ে
সে চীৎকার করে সবাইকে ডাকে,#হিতো 1:20-21
4বলে: হে মানব, আমি তোমাদেরই ডাকছি,
তোমাদেরই উদ্দেশে আমার এই আবেদন।
5হে অবোধ, বিচক্ষণতা অর্জনকর,
বুদ্ধিহীন লাভ কর সুবুদ্ধি।
6শোন, আমি স্পষ্ট কথা বলছি,
আমার ওষ্ঠাধর ন্যায্যা কথা উচ্চারণ করবে।
7আমি সত্য কথাই বলি,
ঘৃণা করি কুকথা।
8আমি যা বলি সবই ন্যায়সঙ্গত,
এ তোমায় কুপথে নিয়ে যাবে না।
9এসব কথা বিচক্ষণের কাছে খুবই স্পষ্ট
জ্ঞানবানের কাছে সহজ সরল।
10রূপোর বদলে গ্রহণ কর আমার উপদেশ,
বিশুদ্ধ সোনা নয়, বেছে নাও জ্ঞান।
11জেন, মণিমুক্তার চেয়ে প্রজ্ঞা শ্রেয়,
কোন কাম্য বস্তুই তার তুল্য নয়।
12এই প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা আমারই দান,
আমি দেখাই জ্ঞান ও সুবিবেচনা।
13ঈশ্বরভক্তির অর্থ মন্দকে ঘৃণা করা,
আমি ঘৃণা করি মিথ্যাচার আর কপটভাষণ।
14সুমন্ত্রণা ও দক্ষতা আমারই,
সুবিবেচনা ও ক্ষমতা আমারই হাতে।
15আমারই সাহয্যে রাজা রাজত্ব করে,
প্রশাসক প্রর্বতন করে ন্যায়ের বিধান।
16আমার সাহায্যেই শাসকেরা শাসন করে
ধরণীর বিচাকপতিরা করে বিচার।
17আমায় যারা ভালবাসে আমিও ভালবাসি তাদের
যারা একাগ্র নিষ্ঠায় আমার অন্বেষণ করে তারাই আমাকে পায়।
18ধন ও সম্মান রয়েছে আমার হাতে
রয়েছে বিপুল শ্রী ও সম্পদ।
19আমার অবদান নিখাদ সোনার চেয়ে শুদ্ধ
খাঁটি রূপোর চেয়েও আমার উপহার শ্রেয়।
20আমি ধর্মপথে চলি,
ন্যায়ের পথই আমার পথ।
21যারা আমাকে ভালবাসে তাদের আমি উপহার দিই ধনসম্পদ,
ঐশ্বর্যে ভরিয়ে তুলি তাদের ভাণ্ডার।
22ঈশ্বর তাঁর সৃষ্টির সূচনার বহুপূর্বে আমাকে লাভ#8:22 লাভ (কেরী): সেপ্টুয়াজিন্টে সৃষ্ট করেছেন,
লাভ করেছেন তাঁর সকল কীর্তির আগে।#প্রকা 3:14
23আমি নিযুক্ত হয়েছি বহুযুগ আগে,
জগত পত্তনেরও আগে।
24যখন ছিল না জলধির অস্তিত্ব,
জলের উৎসসমূহের যখন হয়নি উৎপত্তি, তখনও ছিলাম আমি।
25পর্বতমালার ভিত্তি স্থাপনের আগে,
গিরিশ্রেণী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বেও আমি ছিলাম।
26ঈশ্বর তখনও পৃথিবীও প্রান্তর রচনা করেন নি,
সৃষ্টি করেন নি জগতের ধূলিরাশির প্রথম কণাটিও।
27তিনি যখন নির্মাণ করলেন আকাশ, আমি ছিলাম সেখানে।
যখন জলধিবক্ষে তিনি স্থাপন করলেন, দিকচক্রবাল,
28বিন্যস্ত করলেন ঊর্ধ্ব গগনে মেঘের চন্দ্রাতপ,
যখন উন্মুক্ত করলেন জলধিগর্ভের উৎসগুলি,
29নির্ধারণ করলেন সমুদ্রের সীমা,
যেন তার জলরাশি অমান্য না করে তাঁর নির্দেশ,
যখন তিনি স্থাপন করলেন পৃথিবীর ভিত্তিমূল,
30তখন আমি ছিলাম তাঁর সহকারী কারিগর,
আমিই ছিলাম তাঁর প্রতিদিনের আনন্দস্বরূপ
তাঁর সম্মুখে আমি সদাই ছিলাম উল্লসিত।
31তাঁর সৃষ্ট ভুবনে আমি ছিলাম সদানন্দময়,
মানব সন্তানেরা ছিল আমার প্রীতিভাজন।
32সুতরাং বৎসগণ, আমার কথা শোন,
ধন্য তারা, যারা আমার নির্দেশিত পথে চলে।
33উপদেশ মেনে চল,
অগ্রাহ্য করো না, জ্ঞানবান হও।
34ধন্য সেই জন, যে আমার কথা শুনে চলে,
যে আমার দুয়ারে জেগে থাকে, প্রতীক্ষা করে আমার দ্বারদেশে।
35যে আমাকে পায় সে জীবন লাভ করে
পায় প্রভু পরমেশ্বরের অনুগ্রহ।
36যে আমার অন্বেষণ করে না, সে নিজেরই অনিষ্ট করে,
যারা আমাকে উপেক্ষা করে, মৃত্যুর সাথেই তাদের মিতালি।

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in