YouVersion Logo
Search Icon

হিতোপদেশ 7

7
1বৎস, আমার নির্দেশ পালন কর, কখনও ভুলো না আমার উপদেশ। 2আমার নির্দেশ অনুযায়ী যদি চল তাহলে বাঁচবে, নয়নের মণির মত আমার উপদেশ সযত্নে রক্ষা কর, 3নিত্য ধারণ করে থেক অঙ্গে, লিখে রেখ হৃদয় ফলকে। 4প্রজ্ঞাকে ভগিনীর মত আপন করে নিও সুবিবেচনাকে করে নিও অন্তরঙ্গ বন্ধু। 5তাহলে তুমি পরস্ত্রীর প্রতি আসক্তি থেকে, অসতী নারীর চটুল কথার ফাঁদ থেকে রক্ষা পাবে।
6বাইরে তাকিয়েছিলাম আমি আমার ঘরের জানালা দিয়ে। 7সরলমতি একদল তরুণ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল, দেখলাম তাদের মধ্যে অর্বাচীন এক যুবক 8গলিপথ দিয়ে হাঁটছিল, গলির মোড়ে ছিল এক গণিকার গৃহ। 9তখন সন্ধ্যা ঘনিয়েছে, নেমে এসেছেরাতের অন্ধকার, 10দেখলাম, সেই রমণী তার সামনে এসে দাঁড়াল, পরণে তার বারবধূর বেশবাস, নিপুণা সে ছলাকলায়। 11প্রগলভা, চপলা সেই রমণী, ঘরে তার মন বসে না, 12রাস্তায়, হাটেবাজারে, পথের মোড়ে সে ওৎ পেতে থাকে। 13সে দুহাতে যুবকটির গলা জড়িয়ে ধরল, তাকে চুমো খেয়ে তার চোখে চোখ রেখে বলল: 14আমি আজ স্বস্ত্যয়ন বলি উৎসর্গ করেছি, পূর্ণ করেছি আমার মানত, 15তাই তোমার খোঁজে পথে বেরিয়েছি, অনেক খুঁজে পেলাম তোমার সন্ধান। 16মিশর থেকে আনা বিচিত্র রঙীন চাদর আমি পেয়েছি শয্যায়। 17সুবাসিত করেছি সে শয্যা আতর, অগুরু আর দারুচিনির মধুর সুবাসে। 18এস, আজ রাতে আমরা আনন্দ করি ভাসি প্রেমের সুখসাগরে। 19আমার স্বামী আজ ঘরে নেই গিয়েছেন দূর দেশে, 20সঙ্গে নিয়ে গেছেন প্রচুর অর্থ ফিরবেন তিনি পক্ষকাল পরে। 21এমনি করেই ছলনাভরা মধুর কথায় সে তার মন ভুলাল, চটুল কথার ফুলঝুরিতে বশ করল তাকে। 22বলদ যেমন কসাইখানার দিকে যায় হরিণ যেমন ফাঁদের দিকে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে যেখানে ব্যাধের শর তার জন্য উদ্যত হয়ে আছে, সেও তেমনি সম্মোহিত হয়ে তার পিছনে যেতে লাগল, 23পাখির মত ফাঁদের দিকে এগিয়ে চলল, জানে না সে এ তার মরণফাঁদ।
24বৎসেরা, আমার কথা শোন, আমার উপদেশে কান দাও। 25তোমার মন যেন ও পথে না যায়, ভুল করেও ঐ স্বৈরিণীর পথে তুমি যেও না। 26কেননা অনেকেই তার শিকার হয়েছে, বহুলোকের মরণ ঘটেছে তার হাতে। 27তার ঘরই হল পাতালপুরীর দ্বার, মৃত্যু সেখানে সুনিশ্চিত।

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in

Videos for হিতোপদেশ 7