YouVersion Logo
Search Icon

২ রাজাবলি 22

22
আইন-কানুনের বই পাওয়া গেল
1যোশিয় আট বছর বয়সে রাজা হয়েছিলেন এবং একত্রিশ বছর যিরূশালেমে রাজত্ব করেছিলেন। তাঁর মায়ের নাম ছিল যিদীদা; তিনি ছিলেন বস্কৎ গ্রামের আদায়ার মেয়ে। 2সদাপ্রভুর চোখে যা ভাল যোশিয় তা-ই করতেন এবং তাঁর পূর্বপুরুষ দায়ূদের পথে চলতেন সেই পথ থেকে ডানে কি বাঁয়ে যেতেন না।
3রাজা যোশিয়ের রাজত্বের আঠারো বছরের সময় তিনি মশুল্লমের নাতি, অর্থাৎ অৎসলিয়ের ছেলে রাজার লেখক শাফনকে এই কথা বলে সদাপ্রভুর ঘরে পাঠালেন, 4“আপনি মহাপুরোহিত হিল্কিয়ের কাছে যান এবং তাঁকে বলুন যেন তিনি সদাপ্রভুর ঘরে আনা সমস্ত টাকা-পয়সা যা দারোয়ানেরা লোকদের কাছ থেকে তুলেছে তার হিসাব ঠিক করে রাখেন। 5-6উপাসনা-ঘরের কাজ তদারক করবার জন্য যে লোকদের নিযুক্ত করা হয়েছে সেই টাকা যেন তিনি তাদের হাতে দেন। সদাপ্রভুর ঘর যারা মেরামত করছে তদারককারীরা যেন সেই টাকা দিয়ে ছুতার মিস্ত্রিদের, ঘর তৈরীর মিস্ত্রিদের এবং রাজমিস্ত্রিদের মজুরি দেয়। এছাড়া উপাসনা-ঘর মেরামতের জন্য যেন তারা কাঠ ও সুন্দর করে কাটা পাথর কেনে। 7তাদের হাতে যে টাকা দেওয়া হবে তার হিসাব তাদের দিতে হবে না, কারণ তারা বিশ্বস্তভাবেই কাজ করে থাকে।”
8তখন রাজার লেখক শাফনকে মহাপুরোহিত হিল্কিয় বললেন, “সদাপ্রভুর ঘরে আমি আইন-কানুনের বইটি পেয়েছি।” হিল্কিয় সেই বইটি শাফনকে দিলে পর তিনি তা পড়লেন। 9তারপর শাফন সেই বইটি রাজার কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, “সদাপ্রভুর ঘরে যে টাকা ছিল তা আপনার দাসেরা বের করে সদাপ্রভুর ঘরের কাজের তদারককারীদের হাতে দিয়েছে।” 10তখন লেখক শাফন এই কথা রাজাকে জানালেন, “পুরোহিত হিল্কিয় আমাকে একটি বই দিয়েছেন।” এই বলে শাফন তা রাজাকে পড়ে শোনালেন।
11আইন-কানুনের বইতে যা লেখা ছিল তা শুনে রাজা নিজের পোশাক ছিঁড়লেন। 12তিনি পুরোহিত হিল্কিয়, শাফনের ছেলে অহীকাম, মীখায়ের ছেলে অক্‌বোর, শাফন ও রাজার সাহায্যকারী অসায়কে এই আদেশ দিলেন, 13“এই যে বইটি পাওয়া গেছে তার মধ্যে যে সমস্ত কথা লেখা আছে সেই সব কথা সম্বন্ধে আপনারা গিয়ে আমার জন্য এবং এখানকার ও সমস্ত যিহূদার লোকদের জন্য সদাপ্রভুর কাছে জিজ্ঞাসা করুন। সদাপ্রভু আমাদের বিরুদ্ধে ক্রোধের আগুনে জ্বলে উঠেছেন, কারণ আমাদের পূর্বপুরুষেরা এই বইয়ের কথামত চলেন নি এবং পালন করবার জন্য যে সব কথা সেখানে লেখা আছে সেই অনুসারে তাঁরা কাজ করেন নি।”
14এই কথা শুনে পুরোহিত হিল্কিয়, অহীকাম, অক্‌বোর, শাফন ও অসায় মহিলা-নবী হুল্‌দার কাছে গিয়ে তাঁর সংগে কথাবার্তা বললেন। হুল্‌দা ছিলেন কাপড়-চোপড় রক্ষাকারী শল্লুমের স্ত্রী। শল্লূম ছিলেন হর্হসের নাতি, অর্থাৎ তিক্‌বের ছেলে। হুল্‌দা যিরূশালেমের দ্বিতীয় অংশে বাস করতেন। 15-16হুল্‌দা তাঁদের বললেন, “ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভু আমাকে বলতে বললেন যে, যিনি আপনাদের আমার কাছে পাঠিয়েছেন তাঁকে গিয়ে বলুন সদাপ্রভু বলছেন, ‘যিহূদার রাজা এই বইয়ে লেখা যা কিছু পড়েছে আমি সেই অনুসারেই প্রত্যেকটা বিপদ এই জায়গার উপর ও তার লোকদের উপর নিয়ে আসব। 17তারা আমাকে ত্যাগ করে দেব-দেবতাদের উদ্দেশে ধূপ জ্বালিয়েছে এবং তাদের হাতের তৈরী সমস্ত প্রতিমার দ্বারা আমাকে অসন্তুষ্ট করেছে; সেইজন্য এই জায়গার বিরুদ্ধে আমার ক্রোধের আগুন জ্বলে উঠবে এবং তা নিভানো যাবে না।’ 18-19সদাপ্রভুর কাছে জিজ্ঞাসা করবার জন্য যিনি আপনাদের পাঠিয়েছেন সেই যিহূদার রাজাকে বলবেন যে, ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভু বলছেন, ‘আমি এই জায়গা ও তার লোকদের বিরুদ্ধে যে অভিশাপ ও ধ্বংসের কথা বলেছি তা শুনে তোমার অন্তর তাতে সাড়া দিয়েছে এবং তুমি সদাপ্রভুর সামনে নিজেকে নীচু করেছ, তোমার পোশাক ছিঁড়েছ এবং আমার সামনে কেঁদেছ। তুমি এই সব করেছ বলে আমি সদাপ্রভু তোমার প্রার্থনা শুনেছি। 20সেইজন্য আমি শীঘ্রই তোমাকে তোমার পূর্বপুরুষদের কাছে নিয়ে যাব এবং তুমি শান্তিতে কবর পাবে। এই জায়গার উপর আমি যে সব বিপদ নিয়ে আসব তোমার চোখ তা দেখবে না।’ ”
তখন তাঁরা হুল্‌দার উত্তর নিয়ে রাজার কাছে ফিরে গেলেন।

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in