গালাতীয় ভূমিকা
ভূমিকা
সাহাবী পৌলের প্রথম তবলিগ-যাত্রায় তিনি এশিয়া মাইনরে গিয়েছিলেন। এখন সেটিকে তুরস্ক বলে। কেবলমাত্র হযরত ঈসা মসীহের উপর ঈমানের মধ্য দিয়েই যে নাজাত পাওয়া যায় সেই সংবাদই হযরত পৌল তবলিগ করেছিলেন। ইহুদী জাতির অনেকে সেই খবরে ঈমান এনে জামাত স্থাপন করেছিল। তাদের মধ্যে ছিল কয়েকজন অ-ইহুদী ঈমানদার। হযরত পৌল সেই এলাকা ছেড়ে যাবার পর কিছু ওস্তাদ ভুল শিক্ষা দিতে লাগল যে, নাজাত পাবার জন্য যেমন ঈমান দরকার তেমনি হযরত মূসার শরীয়ত পালন করাও দরকার। তাঁর এই চিঠির মধ্যে হযরত পৌল সাহাবী হবার তাঁর যোগ্যতা দেখিয়েছেন এবং যে সব গালাতীয়রা ভুল শিক্ষা তাড়াতাড়ি গ্রহণ করেছিল তাদের কাছে তিনি সেই শিক্ষার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ভাল কাজের ফলে নাজাত পাওয়া যায় না কিন্তু নাজাত পাবার ফল হল ভাল কাজ। ঐ সব ভাল কাজ হল ঈমানদারদের জীবনে পাক-রূহের কাজের ফল।
বিষয় সংক্ষেপ:
(ক) হযরত পৌলের চিঠি লেখার উদ্দেশ্য (১:১-১০ আয়াত)
(খ) সাহাবী হিসাবে হযরত পৌলের অধিকার (১:১১-২:২১ আয়াত)
(গ) শরীয়তের তুলনায় রহমতের সুসংবাদ (৩,৪ রুকু)
(ঘ) ঈসায়ীদের স্বাধীনতা ও দায়িত্ব (৫:১-৬:১০ আয়াত)
(ঙ) উপসংহার (৬:১১-১৮ আয়াত)
Currently Selected:
গালাতীয় ভূমিকা: MBCL
Highlight
Copy
Compare
Share
Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in
Single Column : © The Bangladesh Bible Society, 2000
Double Column : © The Bangladesh Bible Society, 2006