YouVersion Logo
Search Icon

হেদায়েতকারী ভূমিকা

ভূমিকা
শরৎকালের ফসল কাটবার সময় ইহুদীদের কুঁড়ে-ঘরের ঈদের সময় হেদায়েতকারী নামে কিতাবটি তেলাওয়াত করা হত। কিতাবটি বুঝবার জন্য “সূর্যের নীচে”- এই বাক্যাংশটি বুঝতে হবে। মানুষের জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজতে গিয়ে লেখক নিজেকে এই দুনিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ করেছেন। প্রচুর জ্ঞান ও বিশাল ধন-সম্পদের অধিকারী হওয়াতে লেখক নিশ্চিত ছিলেন যে, তিনি স্থায়ী সুখ লাভ করতে পারবেন। কিন্তু তিনি যে সুখ লাভ করতে চেয়েছিলেন তা সমস্ত জ্ঞান ও ধন-সম্পদ দিয়ে তিনি লাভ করতে পারেন নি। শেষে তিনি বলেছেন যে, জীবনটা অর্থহীন এবং অসারতার পিছনে দৌড়ানো মাত্র অবশ্য যদি সেই লোক কেবল সূর্যের নীচের বিষয়গুলোর কথা চিন্তা করে। কিন্তু তিনি সেই পর্যন্ত বলে থামেন নি। তিনি গবেষণা করে দেখেছেন যে, জীবনটা আল্লাহ্‌র দান এবং তিনি চান যেন আমরা তা উপভোগ করি (২:২৪; ৩:১২,২২; ৫:১৮; ৮:১৫ আয়াত); আল্লাহ্‌ সব কিছুই তাঁর অধীনে রেখেছেন (২:২৬; ৩:১৪; ৭:১৩,১৪ আয়াত); অতিরিক্ত সব কিছু এড়িয়ে যেতে হবে- এর অর্থ হল নিজেকে দমনে রেখে সীমার মধ্যে চলবার অভ্যাস করতে হবে (৭:১০; ১০:১২-১৪; ৮:১-৯; ১০:৮-১১ আয়াত)। লেখক তাঁর পাঠকদের এই উপদেশ দিচ্ছেন, “তোমার যৌবনকালেই তোমার সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ কর” (১২:১ আয়াত) এবং “আল্লাহ্‌কে ভয় কর ও তাঁর সব হুকুম পালন কর, কারণ এটাই হল মানুষের সমস্ত কর্তব্য” (১২:১৩ আয়াত)।
বিষয় সংক্ষেপ:
(ক) প্রস্তাবনা: সূর্যের নীচে সবই অসার (১:১-১১ আয়াত)
(খ) অভিজ্ঞতা থেকে: মানুষ শক্তিহীন (১:১২-২:২৬ আয়াত)
(গ) পর্যবেক্ষণ থেকে: সমস্ত কিছুর জন্য আল্লাহ্‌র একটি পরিকল্পনা আছে (৩-৫ রুকু)
(ঘ) ব্যবহারের দ্বারা: আল্লাহ্‌র পরিচালনার মধ্যে যে পার্থক্য দেখা যায় তা ব্যাখ্যা করা যায় (৬:১-৮:১৫ আয়াত)
(ঙ) পরিশেষে: আল্লাহ্‌কে ভয় কর, আল্লাহ্‌র বাধ্য হও, জীবন উপভোগ কর (৮:১৬-১২:১৪ আয়াত)

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in