YouVersion Logo
Search Icon

যিহোশূয়ের পুস্তক 18

18
বাকী জমি-জায়গার বিভাজন
1সমস্ত ইস্রায়েলবাসী শীলোতে জড়ো হল। সেখানে তারা একটা সমাগম তাঁবু প্রতিষ্ঠা করল। ইস্রায়েলীয়রাই সেই দেশটা চালাত। সে দেশে সমস্ত শত্রুকে তারা হারিয়েছিল। 2কিন্তু সেই সময় সাতটা ইস্রায়েলীয় পরিবারগোষ্ঠী তখনও ঈশ্বরের প্রতিশ্রুতি মতো জমিজায়গা পায় নি।
3তাই যিহোশূয় তাদের বললেন, “জমির জন্য তোমরা এতদিন অপেক্ষা করে বসে আছ কেন? তোমাদের প্রভু তোমাদের পিতৃপুরুষের ঈশ্বর তোমাদের তা দিয়েই দিয়েছেন। 4তাই বলছি প্রত্যেক পরিবারগোষ্ঠী থেকে তিনজন করে লোক বেছে নাও। আমি তাদের জায়গাটা ভালো করে দেখার জন্য পাঠাব। তারা সেখানকার বর্ণনা লিখে নিয়ে আমার কাছে ফিরে আসবে। 5তারা জায়গাটা সাত ভাগে ভাগ করবে। যিহূদার লোকরা পাবে দক্ষিনাংশ, যোষেফের লোকরা পাবে উত্তর অংশ। 6তোমরা অবশ্যই জায়গাটার বর্ণনা করে সেটাকে সাত ভাগে ভাগ করবে। মানচিত্রটা আমার কাছে আনবে। তারপর আমরা প্রভু, আমাদের ঈশ্বরকেই তা ঠিক করতে বলব কে কোন জমি পাবে।#18:6 আমরা … জমি পাবে আক্ষরিক অর্থে, “আমি এখানে প্রভু আমাদের ঈশ্বরের সামনে ঘুঁটি চালব।” 7লেবীয় যাজকরা জমির কোন অংশ পাবে না। যাজক হিসাবে তাদের কাজ হচ্ছে প্রভুর সেবা করা। এই তাদের অংশ। গাদ, রূবেণ এবং মনঃশির অর্ধেক পরিবারগোষ্ঠী ইতিমধ্যেই প্রতিশ্রুত জমিজায়গা পেয়ে গিয়েছে। তারা বাস করে যর্দন নদীর পূর্বদিকে। প্রভুর দাস মোশি ইতিমধ্যেই তাদের জমিজায়গা দিয়ে দিয়েছেন।”
8জায়গা দেখার জন্য মনোনীত লোকরা বার হয়ে গেল যাতে তারা জমির বর্ণনা দিতে পারে। যিহোশূয় তাদের বললেন, “তোমরা সেই জায়গায় যাও, ভালো করে দেখ আর সেখানকার একটা বর্ণনা লিখে নিয়ে এসো। তারপর শীলোতে আমার সঙ্গে দেখা করো। আমি তখন ঘুঁটি চালার ব্যবস্থা করব। যেন প্রভুই তোমাদের মধ্যে জমি ভাগ করে দেন।”
9তাই লোকরা সেই দেশে গেল, জায়গাটা ঘুরে ফিরে তারা দেখল এবং যিহোশূয়র জন্য একটা বর্ণনা তারা লিখল। তারা ঐ সমস্ত শহরগুলির একটি তালিকা প্রস্তুত করল এবং তারপর ভূখণ্ডটিকে সাত ভাগে ভাগ করল। মানচিত্র এঁকে নিয়ে তারা শীলোতে যিহোশূয়র কাছে ফিরে গেল। 10যিহোশূয় সেখানে শীলোতে প্রভুর সামনে তাদের জন্য ঘুঁটি চাললেন। এইভাবেই তিনি জমি ভাগাভাগি করে প্রত্যেক পরিবারগোষ্ঠীকে তাদের অংশ দিলেন।
বিন্যামীনের জন্য জমিজায়গা
11বিন্যামীন পরিবারগোষ্ঠীকে দেওয়া হয়েছিল যিহূদা এবং যোষেফের জায়গার মাঝখানের জমি। বিন্যামীনের প্রত্যেকটি পরিবারগোষ্ঠীই নিজের নিজের জায়গা পেয়ে গিয়েছিল। বিন্যামীনের জন্য মনোনীত জায়গাগুলো হল: 12যর্দন নদী থেকে শুরু করে উত্তরের সীমানা, যা যিরীহোর উত্তর দিক ঘেঁষে গিয়ে পশ্চিমে পাহাড়ী অঞ্চলের দিকে চলে গেছে। সীমানাটি বৈৎ‌-আবনের ঠিক পূর্বদিক পর্যন্ত এগিয়ে গেছে। 13দক্ষিণে লূস (বৈথেল) পর্যন্ত সীমানা গেছে। তারপর সীমা গেছে অষ্টারোৎ-অদ্দরের দিকে। অষ্টারোৎ-অদ্দর হচ্ছে নিম্ন বৈৎ‌-হোরোণের দক্ষিণে পাহাড়ী জায়গায়। 14বৈৎ‌-হোরোণের দক্ষিণে পাহাড়ে এসে সীমানা দক্ষিণে বাঁক নিয়ে পাহাড়ের পশ্চিমদিকে চলে গেছে। সীমানা গিয়েছে কিরিয়ৎ-বালে (কিরিয়ৎ যিয়ারীম)। এই শহরটা যিহূদার লোকদের এটা পশ্চিম সীমা।
15কিরিয়ৎ-যিয়ারীম থেকে শুরু হয়েছে দক্ষিণ সীমা, গেছে নিপ্তোহ নদীর দিকে। 16তারপর রফায়ীম উপত্যকার উত্তরে বেন-হিন্নোম উপত্যকার কাছে পাহাড়ের নীচে চলে গেছে এই সীমা। সীমানাটি যিবুষীয়দের শহরের ঠিক দক্ষিণদিকে হিন্নোম উপত্যকা পর্যন্তও বিস্তৃত হয়েছে। তারপর সেটি গেছে ঐন্-রোগেল পর্যন্ত। 17সেখান থেকে সীমা ঘুরে উত্তরদিকে গেছে ঐন্-শেমশে, গলীলোত (অদুম্মীম গিরিজর্থের কাছে) পর্যন্ত। সেখান থেকে মহাশিলার দিকে; রূবেণের পুত্র বোহনের জন্যই এর নাম রাখা হয়েছে। 18এই সীমা বৈৎ‌-অরাবার উত্তরদিকে খাড়ি পর্যন্ত এসে যর্দন উপত্যকায় নেমে গেছে। 19তারপর বৈৎ‌-হগ্লার উত্তরে আর শেষ হয়েছে মৃত সাগরের উত্তর উপকূলে। এখানেই যর্দন নদী সাগরে পড়েছে। আর এটাই হচ্ছে দক্ষিণ সীমা।
20যর্দন নদী হচ্ছে পূর্ব সীমা। সুতরাং এটাই হচ্ছে বিন্যামীনের পরিবারগোষ্ঠীর জন্য বিলি করা জমিজায়গা। এইসব হচ্ছে এদের জমি-জায়গার সব দিকের সীমানা।
21প্রত্যেক পরিবারই জমি-জায়গা পেয়েছিল। এইসব হচ্ছে তাদের শহর:
যিরীহো, বৈৎ‌-হগ্লা, এমক-কশিশ, 22বৈৎ‌-অরাবা, সমারয়িম, বৈথেল, 23অব্বীম, পারা, অফ্রা, 24কফর-আম্মোনী, অফ্নি এবং গেবা। সেখানে 12 টি শহর এবং তাদের ঘিরে সব মাঠঘাট ছিল।
25বিন্যামীনের পরিবারগোষ্ঠী এ ছাড়াও পেয়েছিল
গিবিয়োন, রামা, বেরোত্‌, 26মিস্পী, কফীরা, মোৎসা, 27রেকম, যির্পেল, তরলা, 28সেলা, এলফ, যিবুষদের শহর (জেরুশালেম) গিবিয়াৎ এবং কিরিয়াৎ। মাঠঘাট নিয়ে 14টি শহর।
বিন্যামীনের পরিবারগোষ্ঠী এই সমস্ত জায়গা পেল।

Highlight

Share

Compare

Copy

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in

Videos for যিহোশূয়ের পুস্তক 18