YouVersion Logo
Search Icon

হিতোপদেশ 22

22
1বিপুল ধনদৌলত ও সুনামের মধ্যে সুনাম বেছে নেওয়াই ভাল, কারণ সোনারূপোর চেয়ে সুনাম আরও মূল্যবান।
2ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে মিল এখানেই যে পরমেশ্বর তাদের উভয়েরই স্রষ্টা।
3বুদ্ধিমান ব্যক্তি বিপদের সম্ভাবনা দেখলে দূরে সরে যায়, কিন্তু নির্বোধ তার মধ্যে সোজা এগিয়ে যায় এবং দুর্ভোগে পড়ে।
4প্রভু পরমেশ্বরের প্রতি সম্ভ্রমবোধ ও নম্রতার পুরস্কার- ধন, সম্মান ও দীর্ঘজীবন।
5বিপথগামীদের পথে ছড়ানো রয়েছে কাঁটা, আছে গোপন ফাঁদ, যে নিজেকে বাঁচাতে চায় সে সেই পথ থেকে দূরে থাকবে।
6শিশুকে সঠিক পথে চলতে শিখাও, বৃদ্ধ বয়সেও সে সেই পথ ছাড়বে না।
7ধনীরা দরিদ্রের উপর কর্তৃত্ব করে, যে ঋণ নেয় তাকে মহাজনের দাস হতে হয়।
8অন্যায়ের বীজ বপন করলে ধ্বংসের ফসলই তুলতে হবে, তার প্রতাপ হবে লুপ্ত।
9উদার হৃদয় যার সে আশীর্বাদ লাভ করবে, কারণ দরিদ্রকে সে তার খাদ্যের ভাগ দেয়।
10দাম্ভিক লোককে দূর কর তাহলে ঝগড়াঝাঁটি, তর্কবিতর্ক থেমে যাবে, বিবাদের অবসান হবে।
11যে অন্তরের শুচিতা ভালবাসে, যার কথাবার্তা মধুর, রাজা হবেন তার বন্ধু।
12সত্যের মর্যাদা রক্ষার দিকে পরমেশ্বর সতর্ক দৃষ্টি রাখেন মিথ্যাবাদীদের কথা তিনি নস্যাৎ করেন।
13অলস অজুহাত দিয়ে বলে,'বাইরের সিংহ ওৎ পেতে রয়েছে, পথে বার হলেই আমি মারা পড়ব।’
14ব্যভিচারিণী নারীর মুখ যেন গভীর খাদ, প্রভু যার প্রতি রুষ্ট সে সেই খাদে পড়বে।
15শিশুরা স্বভাবতঃই নির্বুদ্ধিতার কাজ করে, উপযুক্ত শাসন তাকে সদাচরণ শিক্ষা দেয়।
16ধনী হওয়ার জন্য গরীবদের উপর অত্যাচার করা কিম্বা ধনবানদের উপঢৌকন দেওয়া দুই-ই দারিদ্র্য ডেকে আনে।
ত্রিশটি প্রবাদ বচন
17শোন, প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা যে সব কথা বলে গেছেন, আমি তা তোমাকে শেখাব। তাঁদের উপদেশ মনোযোগ দিয়ে শোন। 18তুমি যদি তা মনে রাখ এবং বলতে পার তাহলে আনন্দ পাবে। 19তুমি যাতে প্রভুর উপর নির্ভর করতে পার সেই জন্যই আমি এগুলি তোমাকে বলছি। 20আমি তোমার জন্য ত্রিশটি প্রবচন লিখে রেখেছি, এর মধ্যে রয়েছে জ্ঞান ও সদুপদেশ। 21এর মধ্যে দিয়েই তুমি জানতে পারবে প্রকৃত সত্য, যারা তোমার কাছে জানতে চাইবে তাদের দিতে পারবে সঠিক উত্তর।
(1)
22দরিদ্রের অক্ষমতার সুযোগ নিয়ে তাকে শোষণ করো না। বিচারে নিঃসম্বল মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে অবিচার করো না। 23কারণ প্রভু তাদের পক্ষ সমর্থন করবেন এবং যারা তাদের বঞ্চিত করবে তাদেরও বঞ্চিত করবেন তিনি।
(2)
24বদরাগী লোকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করো না, মেলামেশাও করো না তাদের সঙ্গে। 25পাছে তুমি তাদের অনুকরণ করে নিজেই বিপদে পড়।
(3)
26অন্যের ঋণ শোধের প্রতিশ্রুতি দিও না, 27সেই ঋণ যদি তুমি শোধ করতে না পার তাহলে পাওনাদারেরা তোমার বিছানা শুদ্ধ কেড়ে নেবে।
(4)
28তোমার পূর্বপুরুষেরা জমির যে সীমা চিহ্নিত করেছেন তা পরিবর্তন করো না।
(5)
29কর্মদক্ষ কোন ব্যক্তিকে যদি দেখে থাক তাহলে জানবে যে রাজকার্যে নিযুক্ত হবে, সে অখ্যাত থাকবে না।

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in