YouVersion Logo
Search Icon

মথি ভূমিকা

ভূমিকা
মথির লেখা সুখবর নামে বইখানা দিয়ে পুরাতন নিয়মের সাথে নূতন নিয়মের সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। বইটির প্রথমেই ঘোষণা করা হয়েছে যে, যীশু রাজা দায়ূদ এবং অব্রাহামের বংশেরই লোক। লেখক প্রকাশ করেছেন যে, যীশুই সেই মশীহ, অর্থাৎ খ্রীষ্ট যাঁর জন্য ইস্রায়েলীয়েরা অপেক্ষা করেছিল। রাজা দায়ূদের সিংহাসনের ন্যায্য দাবি ছিল এই মশীহের। মথি যীশুর জীবনের সেই সব বিষয়গুলোর কথা লিখেছিলেন যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যীশুই মশীহ। মথি যীশুকে দেখিয়েছেন ঈশ্বরের আইন-কানুনের মহান শিক্ষক হিসাবে এবং তাঁর রাজ্য সম্বন্ধে শিক্ষা দানকারী হিসাবে। মথির লেখা সুখবরের শেষ অংশে দেখা যায় যীশুর বিচার, মৃত্যু, কবর, পুনরুত্থান এবং স্বর্গারোহন। মার্ক, লূক ও যোহনের লেখা সুখবরের চেয়ে মথির লেখা এই বইয়ের মধ্যে যীশুর কতগুলো শিক্ষা আরও সম্পূর্ণভাবে লিখিত আছে। সেগুলোর মধ্যে একটি হল পাহাড়ের উপরে যীশুর শিক্ষাদান (৫-৭ অধ্যায়)। প্রভুর যে প্রার্থনাটি মথির লেখা সুখবরে পাওয়া যায় তা আজও বেশীর ভাগ খ্রীষ্টান তাদের প্রার্থানার সময় ব্যবহার করে (৬:৯-১৩ পদ)
বিষয় সংক্ষেপ:
(ক) মশীহের বংশ-তালিকা ও তাঁর জন্ম (১,২ অধ্যায়)
(খ) বাপ্তিস্মদাতা যোহনের প্রচার-কাজ (৩:১-১২পদ)
(গ) যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁকে পাপে ফেলবার চেষ্টা (৩:১৩-৪:১১ পদ)
(ঘ) গালীল প্রদেশে সকলের সামনে যীশুর কাজ (৪:১২-১৮:৩৫ পদ)
(চ) গালীল থেকে যীশুর যিরূশালেম যাত্রা (১৯:১-২০:৩৪ পদ)
(ছ) যিরূশালেমের কাছে ও ভিতরে যীশুর শেষ সপ্তা (২১:১-২৭:৬৬ পদ)
(জ) যীশুর পুনরুত্থান ও নিজেকে প্রকাশ (২৮ অধ্যায়)

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in