যিহিষ্কেল ভূমিকা
ভূমিকা
যিহিষ্কেল নামে বইটিতে ঈশ্বরের লোকদের সান্ত্বনা ও উৎসাহ দানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। নির্বাসিত যিহূদীদের জন্য যিহিষ্কেল তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীগুলো লিখেছিলেন। সেই যিহূদীরা বাবিলের কাছে কবার খালের ধারে এক রকম বন্দী শিবিরে বাস করছিল। এই বন্দীরা মিথ্যাই বিশ্বাস করেছিল যে, তারা যিরূশালেমে ফিরে যাবে। সেইজন্য যিহিষ্কেল তাদের শিক্ষা দিয়েছিলেন যে, প্রথমে সদাপ্রভুর দিকে তাদের ফিরতে হবে। নবী প্রথমে যিহূদার পাপ সম্বন্ধে আলোচনা করে ঈশ্বরের বিচারের বিষয়ে তাদের সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ঈশ্বর তাঁর লোকদের বন্দী হতে দেবেন এবং যিরূশালেম ধ্বংস করবেন।
দ্বিতীয়তঃ নবী প্রকাশ করেছিলেন যে, প্রতিবেশী রাজ্যগুলোকে তাদের প্রতিমাপূজা ও ঈশ্বরের লোকদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহারের জন্য ঈশ্বর তাদের শাস্তি দেবেন।
তৃতীয়তঃ যিহিষ্কেল তাদের বলেছিলেন যে, বন্দীদশা থেকে ফিরিয়ে এনে ইস্রায়েল ও যিহূদাকে, অর্থাৎ গোটা জাতিকে ঈশ্বর আবার একত্র করবেন। লোকেরা যখন তাদের পাপের জন্য অনুতাপ করবে তখন তিনি তাদের অন্তরে পবিত্র আত্মাকে দেবেন। একদিন মশীহ তাঁর লোকদের কাছে আসবেন এবং তাদের শেষ শত্রুদের ধ্বংস করবেন। উপাসনা-ঘর আবার তৈরী করা হবে এবং সদাপ্রভুর মহিমা সেখানে ফিরে আসবে। এই বইয়ের বিশেষ কথা হল “তারা জানবে যে, আমিই ঈশ্বর” (৬:৭ পদ) এই কথাটি ত্রিশ বারেরও বেশী ব্যবহার করা হয়েছে।
বিষয় সংক্ষেপ:
(ক) ঈশ্বর যিহিষ্কেলকে ডাকলেন ও কাজের ভার দিলেন (১-৩ অধ্যায়)
(খ) যিহূদা ও যিরূশালেমের বিচার (৪-২৪ অধ্যায়)
(গ) সাতটা অযিহূদী জাতির বিরুদ্ধে ভবিষ্যদ্বাণী (২৫-৩২ অধ্যায়)
(ঘ) দেশে ইস্রায়েল জাতির পুনস্থাপন এবং তাঁর শত্রুদের শাস্তি (৩৩-৩৯ অধ্যায়)
(ঙ) মশীহের রাজত্বকালের দৃশ্য (৪০-৪৮ অধ্যায়)
Currently Selected:
যিহিষ্কেল ভূমিকা: SBCL
Highlight
Copy
Compare
Share
Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in
© The Bangladesh Bible Society, 2000