শুমারী 30

30
ব্রতবিষয়ক হুকুম
1পরে মূসা বনি-ইসরাইলদের বংশের নেতৃবর্গকে বললেন, মাবুদ এই বিষয় হুকুম করেছেন। 2কোন পুরুষ যদি মাবুদের উদ্দেশে মানত করে, কিংবা ব্রতবন্ধনে নিজেকে আবদ্ধ করার জন্য কসম খায়, তবে সে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ না করুক, তার মুখ থেকে বের হওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাজ করুক।
3আর কোন স্ত্রীলোক যদি যৌবনকালে তার পিতার বাড়িতে বাস করার সময়ে মাবুদের উদ্দেশে মানত ও ব্রতবন্ধনে নিজেকে আবদ্ধ করে, 4এবং তার পিতা যদি তার মানত ও যা দ্বারা সে নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেই ব্রতবন্ধনের কথা শুনে তাকে কিছু না বলে, তবে তার সকল মানত স্থির থাকবে এবং যা দ্বারা সে নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেই ব্রতবন্ধন স্থির থাকবে। 5কিন্তু তার পিতা যেদিন সেই কথা শুনবে সেদিন যদি তাকে নিষেধ করে, তবে তার কোন মানত ও যা দ্বারা সে নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেই ব্রতবন্ধন স্থির থাকবে না; আর তার পিতার নিষেধ করার ফলে মাবুদ তাকে মাফ করবেন।
6আর যদি সে কোন পুরুষের স্ত্রী হয়ে মানত দিয়ে নিজেকে আবদ্ধ করে, কিংবা যা দ্বারা সে নিজের প্রাণকে আবদ্ধ করেছে, মুখ থেকে বের হওয়া এমন ভাবনা-চিন্তহীন কথার অধীন হয়ে থাকে, 7এবং যদি তার স্ব্বামী তা শুনলেও সেই সময় তাকে কিছু না বলে, তবে তার মানত স্থির থাকবে এবং যা দ্বারা সে নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেই ব্রতবন্ধন স্থির থাকবে। 8কিন্তু তার স্বামী যেদিন সেই কথা শুনবে সেদিন যদি তাকে নিষেধ করে, তবে সে যে মানত করেছে ও তার মুখ থেকে বের হওয়া ভাবনা-চিন্তাহীন কথা দ্বারা সে নিজেকে আবদ্ধ করেছে, তার স্বামী তা ব্যর্থ করবে, আর মাবুদ তাকে মাফ করবেন। 9কিন্তু বিধবা কিংবা স্বামীর পরিত্যক্তা স্ত্রী যা দ্বারা নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেই ব্রতের সমস্ত কথা তার জন্য স্থির থাকবে। 10আর সে যদি স্বামীর বাড়িতে থাকবার সময়ে মানত করে থাকে, কিংবা কসম দ্বারা নিজেকে ব্রতবন্ধনে আবদ্ধ করে থাকে, 11এবং তার স্বামী তা শুনে তাকে নিষেধ না করে নীরব হয়ে থাকে, তবে তার সমস্ত মানত স্থির থাকবে এবং সে যা দ্বারা নিজেকে আবদ্ধ করেছে, সেসব ব্রতবন্ধন স্থির থাকবে। 12কিন্তু তার স্বামী যেদিন তা শুনেছে সেদিন যদি সেসব বাতিল করে, তবে তার মানত বিষয়ে ও তার ব্রতবন্ধন বিষয়ে তার মুখ থেকে যে কথা বের হয়েছিল, তা স্থির থাকবে না; তার স্বামী তা বাতিল করেছে; আর মাবুদ সেই স্ত্রীকে মাফ করবেন। 13স্ত্রীর প্রত্যেক মানত ও অন্তর ভেঙ্গেচুরে করা ওয়াদাযুক্ত প্রত্যেক কসম তার স্বামী মেনে নিতেও পারে, নাও পারে। 14তার স্বামী যদি অনেক দিন পর্যন্ত তার প্রতি সর্বতোভাবে নীরব থাকে, তবে সে তার সমস্ত মানত কিংবা সমস্ত ব্রতবন্ধন অনুমোদন করে; যেদিন তা শুনেছে সেদিন নীরব থাকাতেই সে তা অনুমোদন করেছে। 15কিন্তু তা শোনার পর যদি কোনভাবে স্বামী তা বাতিল করে, তবে স্ত্রীর অপরাধ বহন করবে।
16পুরুষ ও স্ত্রীর বিষয়ে এবং পিতা ও যৌবনকালে পিতার বাড়িতে অবস্থিত কন্যার বিষয়ে মাবুদ মূসাকে এসব বিধি হুকুম করলেন।

Označeno

Deli

Primerjaj

Kopiraj

None

Želiš, da so tvoji poudarki shranjeni v vseh tvojih napravah? Registriraj se ali se prijavi