২ তীমথিয় 1

1
শুভেচ্ছা
1পৌল, মসীহ্‌ ঈসাতে জীবনের ওয়াদা অনুসারে আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় মসীহ্‌ ঈসার প্রেরিত— 2আমার প্রিয় সন্তান তীমথির সমীপে। পিতা আল্লাহ্‌ ও আমাদের প্রভু মসীহ্‌ ঈসার কাছ থেকে রহমত, করুণা ও শান্তি বর্ষিত হোক।
স্থির ও বিশ্বস্ত থাকতে হুকুম
3আল্লাহ্‌, যাঁর এবাদত আমার পূর্ব-পুরুষরা করতেন আমিও পবিত্র বিবেকে তাঁর এবাদত করে থাকি। আমি যখন দিনরাত অবিরত তোমার জন্য মুনাজাত করে থাকি তখন আমি তাঁর শুকরিয়া আদায় করি। 4তোমার চোখের পানি স্মরণ করে দিনরাত তোমাকে দেখবার আকাঙক্ষা করছি, যেন আমি আনন্দে পূর্ণ হই; 5তোমার অন্তরস্থ কল্পনাতীত ঈমানের কথা স্মরণ করছি, যা আগে তোমার নানী লোয়ীর ও তোমার মা উনীকীর অন্তরে বাস করতো এবং আমি নিশ্চিত যে, এই ঈমান তোমার অন্তরেও বাস করছে। 6এই কারণে তোমাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, আমার হস্তার্পণ দ্বারা আল্লাহ্‌র যে অনুগ্রহ-দান তোমাতে আছে তা জ্বালিয়ে রাখ। 7কেননা আল্লাহ্‌ আমাদেরকে ভীরুতার রূহ্‌ দেন নি, কিন্তু শক্তির, মহব্বতের ও সুবুদ্ধির রূহ্‌ দিয়েছেন।
8অতএব আমাদের প্রভুর সম্বন্ধে সাক্ষ্যের বিষয়ে এবং তাঁর বন্দী যে আমি, আমার বিষয়ে তুমি লজ্জিত হয়ো না, কিন্তু আল্লাহ্‌র শক্তি অনুসারে ইঞ্জিলের জন্য আমার সঙ্গে দুঃখভোগ স্বীকার কর; 9তিনিই আমাদেরকে নাজাত দিয়েছেন এবং পবিত্র আহ্বানে আহ্বান করেছেন। আমাদের কোন কাজের জন্য তা করেন নি, কিন্তু তাঁর নিজের সঙ্কল্প ও রহমত অনুসারে করেছেন; সেই রহমত অনাদিকালের আগে মসীহ্‌ ঈসাতে আমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল, 10এবং এখন আমাদের নাজাতদাতা মসীহ্‌ ঈসার আর্বিভাবের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হল, যিনি মৃত্যুকে শক্তিহীন করেছেন এবং ইঞ্জিলের মধ্য দিয়ে জীবন ও অমরত্বকে আলোতে এনেছেন। 11সেই ইঞ্জিলের জন্যই আমি তবলিগকারী, প্রেরিত ও শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছি। 12এই কারণে এত দুঃখভোগও করছি; তবুও আমি লজ্জিত নই, কেননা যাঁর উপর ঈমান এনেছি, তাঁকে জানি এবং দৃঢ়ভাবে প্রত্যয় করছি যে, আমি তাঁর কাছে যা গচ্ছিত রেখেছি, তিনি সেই দিনের জন্য তা রক্ষা করতে সমর্থ। 13তুমি আমার কাছে নিরাময় শিক্ষার যা যা শুনেছ, মসীহ্‌ ঈসাতে ঈমান ও মহব্বতের সঙ্গে তা আদর্শ হিসেবে ধরে রাখ। 14তোমার কাছে যে উত্তম ধন গচ্ছিত আছে, আমাদের অন্তরে বাস করেন, সেই পাক-রূহ্‌ দ্বারা তা রক্ষা কর।
15তুমি জান, এশিয়াতে যারা আছে তারা সকলে আমার কাছ থেকে সরে পড়েছে; তাদের মধ্যে ফুগিল্ল ও হর্মগিনি আছে। 16প্রভু অনীষিফরের পরিবারকে করুণা দান করুন, কেননা তিনি বার বার আমার প্রাণ জুড়িয়েছেন এবং আমার শিকল হেতু লজ্জিত হন নি; 17বরং তিনি রোমে আসবার পর যত্নপূর্বক অনুসন্ধান করে আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। 18প্রভু তাঁকে এই বর দিন, যেন সেদিন তিনি প্রভুর কাছ থেকে করুণা পান— আর ইফিষে তিনি কত পরিচর্যা করেছিলেন, তা তুমি বিলক্ষণ জান।

Marker

Kopier

Sammenlign

Del

None

Vil du ha høydepunktene lagret på alle enhetene dine? Registrer deg eller logg på