YouVersion Logo
Search Icon

২ বংশাবলি 3

3
1শলোমনের পিতা রাজা দাউদ আগেই মন্দিরে জন্য স্থান নির্বাচন করে রেখেছিলেন।স্থানটি ছিল মোরিয় পর্বতের উপরে অবস্থিত জেরুশালম। এখানেই প্রভু পরমেশ্বর দাউদের সামনে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং এখানেই যিবুষী অরৌণার খামার ছিল। শলোমন তাঁর রাতজ্বকালের#আদি 22:2 2চতুর্থ বৎসরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় দিনে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করলেন। প্রাচীন কালের পরিমাপ অনুসারে 3মন্দিরটি ছিল দৈর্ঘে ষাট হাত,#3:3 27 মিটার প্রস্থে কুড়ি হাত।#3:3 9 মিটার 4মন্দিরের সামনের বারান্দার দৈর্ঘ ছিল কুড়ি হাত অর্থাৎ সমগ্র মন্দিরের প্রস্থের সমান এবং উচ্চতায় একশো কুড়ি হাত#3:4 54 মিটার। মন্দিরের কক্ষের দেওয়াল তিনি খাঁটি সোনার পাত দিয়ে মুড়ে দিলেন। 5মন্দিরের মূল কক্ষের দেওয়াল সীডার কাঠ দিয়ে ঢেকে সেটি খাঁটি সোনার পাত দিয়ে মুড়ে দিলেন। তার উপরে খোদাই করে খেজুর গাছ ও শিকলের নকশা দিয়ে কারুকার্য করা হল। 6রাজা মন্দিরটিকে মূল্যবান রত্ন ও পর্বয়িম দেশ থেকে আমদানী করা খাঁটি সোনা দিয়ে অলঙ্কৃত করলেন। 7মন্দিরের দেওয়াল, ছাদের ঢালু বরগা, গোবরাটও দরজাগুলি ঐ সোনা দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া হল। দেওয়ালের গায়ে শিল্পীরা করূব মূর্তি#3:7 স্বর্গদূত অথবা দুই পক্ষযুক্ত দিব্য প্রাণী খোদাই করে দিল। 8মন্দিরের ভিতরের কক্ষটিকেবলা হত মহাপবিত্র স্থান। এর দৈর্ঘ ছিল কুড়ি হাত এবং প্রস্থও কুড়ি হাত অর্থাৎ সমগ্র মন্দিরের প্রস্থের সমান। মন্দিরের মহাপবিত্র স্থানের দেওয়ালগুলি মুড়তে ছশো তালন্ত#3:8 ছশো তালন্ত= কুড়ি মেট্রিক টন খাঁটি সোনা লেগেছিল। 9এর মধ্যে পঞ্চাশ শেকেল#3:9 পঞ্চাশ শেকেল= 570 গ্রাম সোনা লেগেছিল প্রেক তৈরী করতে। মন্দিরের উপরের কক্ষগুলিও সোনা দিয়ে মুড়ে দেওয়া হল।
10রাজা তাঁর শিল্পীদের দুটি করূবমূর্তি ধাতু দিয়ে তৈরী করে সোনা দিয়ে মুড়ে দিতে বললেন এবং তারপর মূর্তি দুটিকে মহাপবিত্র স্থানে বসিয়ে দিতে বললেন। 11-13প্রবেশদ্বারের দিকে মুখ করে মূর্তি দুটিকে পাশাপাশি বসান হল। দুজনেরই দুটি করে ডানা। প্রত্যেকটি ডানা পাঁচ হাত#3:11-13 পাঁচ হাত = 2:2 মিটার লম্বা। মূর্তি দুটির মেলে দেওয়া ডানার একটি অপর মূর্তির একটি ডানার শেষ অংশকে ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় ছুঁয়ে থাকল এবং দুজনের অপর ডানা দুটি মন্দিরের দুই দিকের দেওয়াল ছুঁয়ে থাকল যার সম্পূর্ণ প্রস্থ কুড়ি হাত।#যাত্রা 25:18-20 14মহাপবিত্র স্থানের জন্য একটি পর্দা তৈরী করা হল। পর্দাটি ছিল লিনেন ও আরও নানা রকমের সাজসরঞ্জাম দিয়ে তৈরী তার রং ছিল নীল, বেগুনী ও লাল এবং তার উপর করূবদের নকশা দিয়ে সুন্দর করে সাজানো।#যাত্রা 26:31
ব্রোঞ্জের দুটি স্তম্ভ
(১ রাজা 7:15-22)
15রাজা মন্দিরের সামনে ব্রোঞ্জের দুটি স্তম্ভ স্তাপন করলেন। প্রত্যেকটি স্তম্ভের দৈর্ঘ পঁয়ত্রিশ হাত#3:15 পঁয়ত্রিশ হাত= 15 1/2 মিটার এবং স্তম্ভ দুটির মাথায় বসালেন পাঁচ হাত উঁচু চূড়া। 16স্তম্ভের চূড়া দুটির গায়ে শিকলের জালি নকশার কারুকার্য করে তার সঙ্গে একশোটি ব্রোঞ্জের ডালিম#3:16 হিব্রু: অস্পষ্ট দিয়ে সাজিয়ে দেওয়া হল। 17মন্দিরের সামনে প্রবেশ পথের দুধারে স্থাপিত দুটি স্তম্ভের মধ্যে দক্ষিণ দিকের স্তম্ভটির নাম রাখা হল ‘যাখিন'#3:17 ‘যাখিন'–অর্থ: তিনি (ঈশ্বর) প্রতিষ্ঠিত করেন এবং উত্তর দিকের স্তম্ভটির নাম রাখা হল ‘বোয়াস'#3:17 ‘বোয়াস'–অর্থ : তাঁর শক্তিতে।

Highlight

Copy

Compare

Share

None

Want to have your highlights saved across all your devices? Sign up or sign in